বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু সস্ত্রীক নড়াইল সফরকালে সদর উপজেলার কলোড়া-গোয়ালবাড়ি এলাকার ভোঁদড় পল্লী পরিদর্শন করেছেন।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে তিনি পল্লীটি ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন নড়াইল জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান আলেক, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সায়াদাত কবীর রুবেলসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
পরে শামসুজ্জামান দুদু ও তাঁর সহধর্মিণী নড়াইল শহরের মাছিমদিয়ায় অবস্থিত বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের স্মৃতি সংগ্রহশালা পরিদর্শন করেন। সেখানে তাঁরা সংগ্রহশালার বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং শিল্পী এস এম সুলতানের জীবন, কর্ম ও সংরক্ষিত শিল্পকর্ম সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য জানেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, নড়াইলের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পর্যটন সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা নিতে সফরের অংশ হিসেবে এই দুটি স্থান পরিদর্শন করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান।
যশোরের অভয়নগর উপজেলার শুভরাড়া খেয়াঘাটে ভৈরব নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পারাপারকারী সাধারণ মানুষ। নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় খেয়ানৌকা নিয়মিত ঘাটে ভিড়তে না পেরে পাশের ফেরিঘাটে ভিড়ছে। এতে যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে ওঠানামা করতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে খেয়াঘাটের পন্টুন ও সংযোগস্থল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে নৌকা নির্ধারিত ঘাটে ভেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে ফেরিঘাটে নৌকা ভেড়ানো হলেও সেখানে খেয়ানৌকা নোঙর করার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
প্রতিদিন শত শত মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করে নদী পারাপার করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কাও করছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে তারা জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার তেলিডাঙ্গা গ্রামের যুবক ওমেদ খাকী মাওয়ায় ইলিশ খেয়ে ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্য, স্বজন ও এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৭ জুলাই ( শুক্রবার) বিকালে
কয়েকজন তরুণ মোটরসাইকেলে করে পদ্মার ইলিশ খেতে মাওয়া ঘাটে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে মোকসেদপুর এলাকায় অনুমান রাত ৮টায় একটি সড়ক দুর্ঘটনায় ওমেদ খাকী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে মোটরসাইকেল চালনায় সচেতনতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁদের মতে, দীর্ঘপথে মোটরসাইকেল চালানো এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে নতুন চালকদের জন্য ব্যস্ত মহাসড়কে যাত্রা আরও বেশি বিপজ্জনক। অভিজ্ঞ চালকদের পরামর্শ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে এ ধরনের ভ্রমণে বের হওয়া বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
সচেতন মহল বলছেন, মোটরসাইকেল চালানোর আগে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, সড়ক সম্পর্কে অভিজ্ঞতা, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেটসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি বন্ধুদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত, যাতে অনভিজ্ঞ চালককে ঝুঁকিপূর্ণ মহাসড়কে একা বা দীর্ঘপথে চালাতে উৎসাহিত না করা হয়।
ওমেদ খাকীর অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়াতে তরুণদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার তেলিডাঙ্গা গ্রামের যুবক ওমেদ খাকী মাওয়ায় ইলিশ খেয়ে ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্য, স্বজন ও এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৭ জুলাই ( শুক্রবার) বিকালে
কয়েকজন তরুণ মোটরসাইকেলে করে পদ্মার ইলিশ খেতে মাওয়া ঘাটে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে মোকসেদপুর এলাকায় অনুমান রাত ৭ টায় একটি সড়ক দুর্ঘটনায় ওমেদ খাকী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে মোটরসাইকেল চালনায় সচেতনতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁদের মতে, দীর্ঘপথে মোটরসাইকেল চালানো এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে নতুন চালকদের জন্য ব্যস্ত মহাসড়কে যাত্রা আরও বেশি বিপজ্জনক। অভিজ্ঞ চালকদের পরামর্শ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে এ ধরনের ভ্রমণে বের হওয়া বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
সচেতন মহল বলছেন, মোটরসাইকেল চালানোর আগে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, সড়ক সম্পর্কে অভিজ্ঞতা, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেটসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি বন্ধুদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত, যাতে অনভিজ্ঞ চালককে ঝুঁকিপূর্ণ মহাসড়কে একা বা দীর্ঘপথে চালাতে উৎসাহিত না করা হয়।
ওমেদ খাকীর অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়াতে তরুণদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশেষ প্রতিনিধি শেখ ফশিয়ার রহমান
ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে নড়াইলের কালিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় জুলাই আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তাঁদের আত্মত্যাগের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা বলেন, শহীদদের আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
এ অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাসের সঞ্চালনায় এবং নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলামের সভাপতিত্বে
উপস্থিত ছিলেন জুলাই যোদ্ধা মো. বাপ্পি ও মো. জাহিদুল, শহীদ, মো. রবিউলের পরিবারের সদস্য শারমিন ইসলাম, মো. ইমরান শেখ, কালিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ সেলিম হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মোস্তফা কামাল, কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, জুলাই আন্দোলনের বীর শহীদদের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁদের আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।
আলোচনা সভার শুরুতে জুলাই আন্দোলনের সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অর্থনৈতিক চাপ, রাজস্ব ঘাটতি এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে সরকারি ব্যয় কমাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কৃচ্ছ্রসাধন নীতির অংশ হিসেবে সুদমুক্ত বিশেষ ঋণের বিপরীতে গাড়ি কেনা প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের মোটরযান রক্ষণাবেক্ষণ ও জ্বালানি ভাতা ৫০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে বর্তমানে মাসিক ৫০ হাজার টাকার পরিবর্তে তারা পাবেন ২৫ হাজার টাকা।
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাজেট অনুবিভাগ-১ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। উপ-সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিটি ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সীমিত রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে সরকারি ব্যয় আরও যৌক্তিক করা প্রয়োজন। সেই বিবেচনায় সুদমুক্ত ঋণের আওতায় গাড়ি কিনে নগদায়ন সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের মোটরযান রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মাসিক ৫০ হাজার টাকার পরিবর্তে ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান বাজারদরে মাসে ২৫ হাজার টাকায় একটি ব্যক্তিগত গাড়ির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা কঠিন। তবে তিনি দাবি করেন, কিছু কর্মকর্তা সুদমুক্ত ঋণের অর্থ অন্য খাতে বিনিয়োগ করে লাভবান হন কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ি ভাড়ায় চালিয়েও সরকারি ভাতা গ্রহণ করেন। তাই শুধু ভাতা কমানোর পরিবর্তে এসব অনিয়ম খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সরকারি ব্যয়ে কৃচ্ছ্রসাধন সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। তাঁর ভাষ্য, উচ্চপর্যায়ের সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি ইতিবাচক বার্তা যাবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, কেবল গাড়ি ভাতা কমালেই আর্থিক সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে না। উন্নয়ন প্রকল্পে অপচয় কমানো, এডিপি বাস্তবায়নে গতি আনা এবং কর ফাঁকি রোধেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সরকার ইতোমধ্যে ব্যয় সংকোচন নীতিমালা কার্যকর করেছে। এর অংশ হিসেবে নতুন গাড়ি কেনা, বিদেশ সফর, ভূমি অধিগ্রহণ এবং নতুন ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় সীমিত বা স্থগিত রাখার নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, পাবলিক সেক্টর করপোরেশন ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটেও এ বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Phasellus sagittis semper tortor. Quisque non felis elementum augue ullamcorper laoreet. Nam porta leo ut felis suscipit, vel semper lectus vehicula. Nulla vitae porta leo. Class aptent taciti sociosqu ad litora torquent per conubia nostra, per inceptos himenaeos. Fusce bibendum arcu in lacinia condimentum. Aenean id nunc quis ex congue facilisis. Proin non tempus arcu. Donec dictum elementum ex et aliquet. Praesent at pulvinar augue, ut ultricies mauris. Nulla congue nulla in semper cursus. Sed auctor condimentum sem a tincidunt. Duis rhoncus maximus varius. Nullam imperdiet imperdiet massa vel lacinia. Nam auctor odio velit, at ultricies nisi dictum quis. Vestibulum tempus tellus nec leo malesuada, in tempus quam vehicula.
Sed nec blandit nibh. Pellentesque commodo suscipit gravida. Sed sit amet ex sed mi dignissim elementum in ut quam. Vivamus laoreet non mauris eget mattis. Nam turpis orci, consectetur vel accumsan sed, condimentum at sapien. Nunc ut egestas neque, eu hendrerit lacus. Suspendisse fermentum congue dui nec fringilla. Duis volutpat nunc lectus. Suspendisse potenti. Suspendisse egestas venenatis nunc. Donec at laoreet lacus.
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Phasellus sagittis semper tortor. Quisque non felis elementum augue ullamcorper laoreet. Nam porta leo ut felis suscipit, vel semper lectus vehicula. Nulla vitae porta leo. Class aptent taciti sociosqu ad litora torquent per conubia nostra, per inceptos himenaeos. Fusce bibendum arcu in lacinia condimentum. Aenean id nunc quis ex congue facilisis. Proin non tempus arcu. Donec dictum elementum ex et aliquet. Praesent at pulvinar augue, ut ultricies mauris. Nulla congue nulla in semper cursus. Sed auctor condimentum sem a tincidunt. Duis rhoncus maximus varius. Nullam imperdiet imperdiet massa vel lacinia. Nam auctor odio velit, at ultricies nisi dictum quis. Vestibulum tempus tellus nec leo malesuada, in tempus quam vehicula.
Sed nec blandit nibh. Pellentesque commodo suscipit gravida. Sed sit amet ex sed mi dignissim elementum in ut quam. Vivamus laoreet non mauris eget mattis. Nam turpis orci, consectetur vel accumsan sed, condimentum at sapien. Nunc ut egestas neque, eu hendrerit lacus. Suspendisse fermentum congue dui nec fringilla. Duis volutpat nunc lectus. Suspendisse potenti. Suspendisse egestas venenatis nunc. Donec at laoreet lacus.
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Phasellus sagittis semper tortor. Quisque non felis elementum augue ullamcorper laoreet. Nam porta leo ut felis suscipit, vel semper lectus vehicula. Nulla vitae porta leo. Class aptent taciti sociosqu ad litora torquent per conubia nostra, per inceptos himenaeos. Fusce bibendum arcu in lacinia condimentum. Aenean id nunc quis ex congue facilisis. Proin non tempus arcu. Donec dictum elementum ex et aliquet. Praesent at pulvinar augue, ut ultricies mauris. Nulla congue nulla in semper cursus. Sed auctor condimentum sem a tincidunt. Duis rhoncus maximus varius. Nullam imperdiet imperdiet massa vel lacinia. Nam auctor odio velit, at ultricies nisi dictum quis. Vestibulum tempus tellus nec leo malesuada, in tempus quam vehicula.
Sed nec blandit nibh. Pellentesque commodo suscipit gravida. Sed sit amet ex sed mi dignissim elementum in ut quam. Vivamus laoreet non mauris eget mattis. Nam turpis orci, consectetur vel accumsan sed, condimentum at sapien. Nunc ut egestas neque, eu hendrerit lacus. Suspendisse fermentum congue dui nec fringilla. Duis volutpat nunc lectus. Suspendisse potenti. Suspendisse egestas venenatis nunc. Donec at laoreet lacus.