কালিয়ার চরকান্দিপাড়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু
কালিয়ার চরকান্দিপাড়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চরকান্দিপাড়া গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হাসান শেখ (৪৫) মারা গেছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত হাসান শেখ চরকান্দিপাড়া গ্রামের তারা মিয়া শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভ্যানচালক ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জের ধরে গত বুধবার সকাল ৯টার দিকে কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শেখ সোহেল রানা ও আবেদ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১১ জন আহত হন।...
কালিয়ার চরকান্দিপাড়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু
নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চরকান্দিপাড়া গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হাসান শেখ (৪৫) মারা গেছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত হাসান শেখ চরকান্দিপাড়া গ্রামের তারা মিয়া শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভ্যানচালক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জের ধরে গত বুধবার সকাল ৯টার দিকে কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শেখ সোহেল রানা ও আবেদ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১১ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে সোহেল পক্ষের হাসান শেখ গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া ইসরাফিল শিকদার, রাসেল শেখ, মতিউর রহমান ও মুক্তি শেখসহ অন্য আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হোসেন আলী সাংবাদিকদের বলেন, পূর্ববর্তী হত্যাকাণ্ডের জের ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চরকান্দিপাড়ার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ মামলা দায়ের করেনি। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।