নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ

নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ

নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ

 

নড়াইলে গত ৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কালিয়া উপজেলার ‘নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটি’-কে সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা তথ্য অফিসার রুস্তম আলীর বিরুদ্ধে। কালিয়া উপজেলার অন্যান্য সাংবাদিক সংগঠনকে প্রশিক্ষণ সেশনে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও, ১৭ জন পেশাদার সাংবাদিক সমৃদ্ধ এই সক্রিয় সংগঠনটিকে ন্যূনতম কোনো তথ্য না দিয়ে অন্ধকারে রাখা হয়েছে। কালিয়া উপজেলা প্রশাসনে নড়াগাতী থানা রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি দেওয়া থাকলেও ওই কর্মকর্তা উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় না করে পক্ষপাতমূলক আচারন করেছেন। তথ্য অফিসের এমন খামখেয়ালিপনা ও দায়িত্বহীনতায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, মাঠপর্যায়ে কর্মরত প্রান্তিক সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল প্রতিনিয়ত কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ অক্টোবর নড়াইলে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, জেলা তথ্য অফিসার সম্পূর্ণ মনগড়া ও পক্ষপাতমূলকভাবে কালিয়া উপজেলার তিনটি ক্লাব থেকে সাংবাদিক নিলেও নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটিকে বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপন রাখেন। এটা খুবই দুঃখজনক ও বৈষম্যের শামিল।
সরকারি প্রশিক্ষণ বা সুযোগ-সুবিধা বণ্টন করার ক্ষেত্রে জেলা তথ্য অফিসারের সবার সাথে সমানভাবে সমন্বয় করার কথা। কিন্তু তিনি তা না করে কিছু নির্দিষ্ট পকেট সংগঠনকে সুযোগ করে দিয়েছেন, যা নিন্দনীয়। এই বৈষম্যমূলক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভবিষ্যতে নড়াগাতী থানা রিপোর্টার্স ইউনিটির পেশাদার সাংবাদিকদের রাষ্ট্রীয় সকল কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ।

নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ জিহাদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী জুয়েল রানা বলেন, “আমাদের সংগঠনে দীর্ঘ দিন ধরে ১৭ জন পেশাদার সাংবাদিক অত্যন্ত সুনামের সাথে মূলধারার গণমাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ তথ্য অফিসের খামখেয়ালিপনার কারণে আমাদের একটি সদস্যকেও এই রাষ্ট্রীয় প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এটি পেশাদার সাংবাদিকদের সাথে চরম বৈষম্য এবং স্পষ্ট অবমূল্যায়ন।”
এ বিষয়ে জেলা তথ্য অফিসার মোঃ রুস্তম আলী বলেন, নড়াগাতী থানা রিপোর্টার্স ইউনিটির তালিকা বা তথ্য তিনি পাননি। তাই অবগত করতে পারেননি। তবে পরবর্তীতে এ ধরনের ভুল হবেনা বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.