নড়াইল প্রতিনিধি চৌধুরী মনিরুজ্জামান
মাদক, চুরি-ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে দিনরাত মাঠে তৎপর রয়েছে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানা পুলিশ।
নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহিম বলেন, “মাদক, চুরি-ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বদা তৎপর। তবে শুধু পুলিশের পক্ষে অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়। এলাকাবাসীর পূর্ণ সহযোগিতা পেলে অপরাধ দমন আরও কার্যকর হবে।”
তিনি বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতাও জরুরি। বিশেষ করে মাদক, চুরি, ডাকাতি কিংবা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে স্থানীয়দের দ্রুত পুলিশকে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ওসি আব্দুর রহিম আরও বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অপরাধীদের কোনোভাবেই আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। পুলিশ জনতার, জনতাই পুলিশের। জনগণ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা আরও সহজ হবে।”
থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নড়াগাতী থানার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি অপরাধীদের গতিবিধির ওপরও নজর রাখা হচ্ছে। কোনো ধরনের অপরাধের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ওসি মো. আব্দুর রহিম বলেন, নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্যে আলহাজ্ব বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের নির্দেশনা ও এলাকার মানুষের প্রত্যাশাকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশের সব সদস্যকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নড়াগাতীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের নিয়মিত টহল ও অপরাধের তথ্য পাওয়ার পর দ্রুত সাড়া দেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ আরও বাড়বে।
তাদের মতে, শুধু পুলিশি অভিযান নয়—অপরাধ প্রতিরোধে
রাজনৈতিক, সামাজিক, জনপ্রতিনিধি
এবং সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
পুলিশের ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে নড়াগাতীর সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অপরাধমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ নড়াগাতী গড়ে তোলাই এখন পুলিশের অন্যতম লক্ষ্য।

Leave a Reply