কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

 

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার মহাজন ঘষিবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারক চন্দ্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাবসহ বেশ কিছু আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে একটি লিখিত অভিযোগপত্রে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় থেকে নির্ধারিত বেতনের চেয়ে বেশি টাকা উত্তোলন করেন। এছাড়া শিক্ষকবৃন্দের আয়-ব্যয়ের হিসাব পর্যালোচনায় প্রধান শিক্ষকের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নগদ টাকা থাকার অভিযোগ করা হয়েছে।
আরও অভিযোগ করা হয়, সভাপতির অনুমোদন ছাড়া চেকে স্বাক্ষর করিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি বাবদ আদায়কৃত অর্থের পুরোটা ব্যাংকে জমা না দেওয়া এবং ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়ের ক্যাশবই নিয়মিত লেখা হয় না এবং আয়-ব্যয়ের কোনো লেজার ব্যবহার করা হয় না বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকা এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারী পক্ষ এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রধান শিক্ষক তারক চন্দ্রের সাথে কথা হলে তিনি সম্পূর্ণ অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আমি যোগদানের পর থেকে অত্র স্কুলের আয়- ব্যয়ের সমস্ত ডকুমেন্টস রয়েছে। সভাপতির অনুমোদন ছাড়া চেকে স্বাক্ষর করিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, তৎকালীন সভাপতি বিশ্ব সাহা ব্যবসায়ীক কাজে বাহিরে থাকতেন। তাই স্কুলের প্রয়োজনে টাকার উত্তবিষয়ে কথা হলে তার পিএসকে দিয়ে একটি স্বাক্ষরিত চেক পাঠিয়ে দেন এবং পরদিন যে টাকাটা তোলা হয়েছে প্রধান শিক্ষকের কাছে থাকা আপোদকালীন চেকের মাধ্যমে যা সভাপতি অবগত ছিলেন। তবে একটি মহল স্কুলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার জন্য পূর্বের দায় আমার ওপর চাপিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে যা দুঃখজনক।

Leave a Reply

Your email address will not be published.