চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গায় ১৪ বছরের নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
৭ মার্চ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় এ বিষয়ে মেয়ের মা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে, ধর্ষণের অভিযোগে কিশোরীর বাবাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি জানান, এ ঘটনায় আজ ৮ই মার্চ শুক্রবার সকালে ধর্ষণকারীকে সংশ্লিষ্ট মামলায় চুয়াডাঙ্গা আদালতে নেয়া হয়েছে। আর কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়নের হুদাপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেন ও তার স্ত্রী, দুই মেয়ে নিয়ে বসবাস করেন। পেশায় তিনি দিনমজুর। তার বড় মেয়ে স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬ষ্ট শ্রেণীতে লেখাপড়া করে।
গত তিন মাস আগে ওই কিশোরীর মা বাড়িতে না থাকায় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বাবা আলতাফ হোসেন। তিনি গত কয়েক মাস ধরে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন বলে গুঞ্জন চলছিল। এ বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করেন মেয়েকে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি উপজেলারই এক যুবকের সাথে মেয়েটির পারিবারিকভাবে বিয়ে দেন। বিয়ের রাতেই সে বমি ও পেটে ব্যাথা অনুভব করে। পরের দিন ডাক্তারি পরীক্ষা করলে ওই কিশোরী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান চিকিৎসক।
বিষয়টি জানাজানি হলে আত্মীয়-পরিজন সত্য ঘটনা জানার জন্য চাপ দিলে, মেয়েটি জানায়- তার বাবাই ধর্ষক। হত্যার হুমকি দিয়ে বিষয়টি কাউকে বলতে নিষেধ করেছিলো সে। তাই প্রাণভয়ে কিশোরী কন্যা বিষয়টি চেপে রাখে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ গণি মিয়া জানান, কিশোরীর মা নিজে বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়েল করে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তর বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ওই কিশোরীর বাবাকে আটক করে এলাকাবাসী গণধোলাই দিয়ে পুলিশে হাতে তুলে দেনৃ।