বুধবার , ১৩ মে ২০২৬ , সকাল ১১:৫১
ব্রেকিং নিউজ

পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ ছয় শীর্ষ কর্মকর্তা

রিপোর্টার : নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার , ৭ আগস্ট ২০২৪ , বিকাল ০৪:২৭

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পালিয়েছেন বিক্ষোভের মুখে  পড়ে  ডেপুটি গভর্নর ও উপদেষ্টারা। ব্যাংক খাত দখল, লুটপাট, অনৈতিক সুবিধা প্রদান ও নানা অনিয়মের সহযোগিতা করার অপরাধে বিক্ষোভের মুখে তারা বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড়েন।

দেশ থেকে  পালানোর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর-১ কাজী ছাইদুর রহমানসহ ৬ শীর্ষ কর্মকর্তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেন।  


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে ; কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এসে বুধবার সাদা কাগজে তারা পদত্যাগ করেন বলে। 


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চার ডেপুটি গভর্নর এবং আর্থিক গোয়েন্দা দপ্তরের প্রধান বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তাদের দাবির মুখে ‘পদত্যাগ’ করেছেন এবং যারা কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন, তারা ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বেরিয়ে গেছেন। তবে ঘটনার সময় গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার কার্যালয়ে ছিলেন না।


প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও বলেন, ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমানের কক্ষে বিক্ষোভকারীরা প্রথমে  ঢুকে  পড়েন এবং তাকে পদত্যাগ করতে  চাপ দেন। এ সময় কাজী ছাইদুর রহমান একটি সাদা কাগজে পদত্যাগের কথা লেখেন এবং স্বাক্ষর করেন। এরপর তিনি ব্যাংক থেকে বেরিয়ে যান।


 ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহারের কক্ষে যান বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা । ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার বলেন, তিনি কার্যালয় ত্যাগ করছেন। বাকি দুই ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলম ও মো. হাবিবুর রহমান কার্যালয়ে ছিলেন না।


তবে কর্মচারীরা তাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, তারা অফিসে আর আসবেন না। একইভাবে ব্যাংকের উপদেষ্টা আবু ফরাহ মো. নাসের ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) মাসুদ বিশ্বাসও বলেন , তারা আর ব্যাংকে আসবেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ এসব কর্মকর্তা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছিলেন। আন্দোলনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বাহী পরিচালক-১ জাকির হোসেন চৌধুরীকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে ঘোষণা করেন।

 




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত। কোড নং :- ৩৪৬১