কবি: লাবনী খানম
ভয়ঙ্কর! ভয়ঙ্কর! কি ভয়ঙ্কর মানব!
হত্যা,লাঞ্ছনা,রাহাজানি, করে সেই দানব!
বলতে পারো নরপিশাচ, বলতে পারো রাক্ষস
কি ভয়ঙ্কর! কি ভয়ঙ্কর! ঐ যে মানব!
হিংসা, গীবত, পরনিন্দা, নয় তো মানবের কর্ম
মানে কি সেই অবোধ রব,যীশু,ঈশ্বরের ধর্ম?
বিবেকের দ্বারা সংকুচিত হলে ঘটে যা এ ধরায়।
গঞ্জনাময় পরিবেশ নাশে কে করিবে লড়াই?
হে কিশোর! নাশকতা ছাড়ো!বাঁচাও এ ধরণী।
তোমরা তো এসেছো সবুজ অরণ্যে ফোটা
একগুচ্ছ রজনীগন্ধার সুবাস মেখে।
নও তো কভু ঘাটকলে ফোটা কুসুমের গন্ধ!
বসুন্ধরা আজ কাঁদে ব্যথার পাহাড় লয়ে বক্ষে!
কেন নৃশংসতা, কেন হটকারিতা!
অগ্নিদগ্ধ হয়ে বুক জ্বলে যায়,পুঁড়ে ছাই!
আত্মহননের মত বিভৎসতা ভাসে নয়নে,
জীবন কত নিষ্ঠুর! বুঝায় প্রতি পদে।
ভয়ঙ্কর! ভয়ঙ্কর! কি ভয়ঙ্কর মানব!