✍জেবুন্নেছা জেবু
(এক)🌺
রোক্সী অজপাড়া গ্রামের বিশ বছরের যুবতী, বয়সে দ্বিগুণ বয়সী লোকের সাথে বিয়ে হলো সম্প্রতি।
সে এখন বাড়ীর বউ তাতে মাথা ব্যাথা নাই রোক্সীর , রোক্সীর দুরসম্পর্কের মামতো ভাই সজীব শহুরে উচ্চশিক্ষিত ব্যাংকে চাকুরীজীবি তার চোখে এখনো রোক্সী একজন তরুণী।
সজীব বলে রোক্সী কার সাথে নিজেকে শেয়ার করবে বিষয়টা একমাত্র তার স্বাধীনতা, তার বাবা মা যা করেছে তা সে মানে না। রোক্সী ও এ বিয়ে মানে না ।।
( দুই)🌺
পরকীয়ায় ধরা পড়েছে বলে আজগর আর মারিয়াকে বেধে রাখা হলো। যথাসময়ে বিচার কাজ শুরু হলো।
বিদেশ ফেরত ডাক্তার সেকান্দার বিচারক সাহেব সবার উদ্দেশ্যে বললেন পরকীয়া নামে কিছু নাই এটা গভীর ভালোবাসা, মারিয়া ও আজগর ওরা দুজনেই মানুষ ।
কে কার সাথে সেক্স করবে বা থাকবে তা সমাজ ঠিক করার কে? এটা অন্যায়। কার কাকে ভালো লাগবে কি করবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার অধিকার কারো নাই।
পেছনে অশিক্ষিতদের হৈচৈ শব্দ,
আবার ও ডাক্তার সাহেব চিৎকার করে বলে উঠলেন, আমরা শাক খাবো নাকি মাংস খাবো যার যার পছন্দের বিষয়।
হ্যা যদি সন্তান থাকে তাহলে বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরী।
টাকা ওয়ালা যা বলে তার ওজন ভারী হয় মানতে সবাই রাজী।।
(তিন)🌺
পাশের বাড়ীর লোকটার বড় সাধ ,ছেলে কোরআনের হাফেজ হবে পরকালে জান্নাত মিলবে এই আশা কিন্তু ছেলে মামুন ( ১২)মাদ্রাসা হতে বারবার পালিয়ে আসে কিছুতেই সে যাবে না, সে কি কান্নাকাটি!
তারপর তার সহপাঠী হতে জানতে চাইলো কেনো সে যেতে চায় না। মামুনের বাবা সবটা শুনার পর বললো অমন মাদ্রাসা শিক্ষার কোন দরকার নাই।
আমার ছেলে এখনো মানুষ আছে ওখানে পশুর কাছে গিয়ে পশুত্ব শেখার দরকার নাই। বলাৎকার আর ব্যভীচারের শিক্ষা নিয়ে সমাজে আর যাই হোক মানুষ হওয়া যায় না।।