মোঃ রফিকুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
যশোরের শার্শায় ব্যবসা বানিজ্য,অফিস আদালত, যাতায়াত, স্বাস্থ্য খাত সবখানে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা ও চরম হতাশা।
সাম্প্রতি সময়ে দেশে ঘটে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ডাকা কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারাদেশে যুদ্ধবস্থা পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এরই প্রভাবে শার্শা উপজেলার সর্বক্ষেত্রে নেমে এসেছে ধস। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক গুলোতে মূমূর্ষ রোগী ছাড়া দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে আসছে না তেমন কেউ।সরকারি,বেসরকারী অফিস আদালতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়তি কাউকে দেখা যায়নি। মহাসড়কে গনপরিবহনে যাত্রী বহনে অনেকটা যাত্রী শূন্য দেখা গেছে। এমনকি স্থানীয় ভাবে ভ্যান, রিক্সা,ইজিবাইক,
সিএনজিতেও একি অবস্থা বিরাজ করছে। এমনকি খেটে খাওয়া শ্রমিক, দিনমজুরদের হাতে তেমন কোন কাজও নেই।
নাভারন বাজার ঘুরে দেখা যায়,কাচা বাজার নিত্য পন্য মুদিদোকানে অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেচাকেনা অনেকটা কম। মার্কেট,শপিং মল গুলোতে প্রায় ক্রেতা শূন্য ফাকা দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করছেন। ব্যবসা স্বমন্ধে জানতে চাইলে নাভারন বাজারের গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মিনারুল ইসলাম বলেন, স্বাভাবিক এর চাইতে বেচাকেনা ও ক্রেতা অনেক কম। ভ্যান চালক আনারুল বলেন, তিন সপ্তাহ আগে যে ভাড়া হত, সে তুলনায় বর্তমান সময়ে ভাড়া পরিমান অনেক কমে গেছে বলে জানান, এ অবস্থায় ভাড়া খাটতে রোডে আসতে মন চাচ্ছে না, তারপরও পেটের তাগিদে বাধ্য হয়ে আসতে হচ্ছে। বন্দরনগরী বেনাপোল, বাগআচড়া সহ গ্রামগঞ্জের হাট-বাজার গুলোতে দেখা গেছে একই অবস্থা। এছাড়া বেনাপোল আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট টার্মিনালে ভারত গমনেচ্ছুকদের উপচে পডা ভীড় থাকতো, সে তুলনায় পাসপোর্ট যাত্রী ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি স্বাভাবিক এর তুলনায় অনেক কম, প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে ও ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য ই সেবা কেন্দ্রে সেবা প্রার্থীদের উপস্থিতি নেই বললে চলে, ব্যাংক, বীমা অফিসে গ্রাহকদের উপস্থিত দেখা গেছে গ্রাহক উপস্থিতি একেবারে কম। তবে সংশ্লিষ্টর ধারণা , ইন্টারনেট সেবা সহ উদ্ভুত পরিস্থিতি কেটে গেলে, সর্বক্ষেত্রে স্বাভাবিক হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বেনাপোল প্রতিনিধি।
মোবাঃ 01989619784