লক্ষ্মীপুরে অহিদুল হকের ফসলি জমি সহ বসত ঘরে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও
জখমী পারুল বেগম নামে এক বৃদ্ধ নারী সহ ৪ চার জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এসময় নগদ টাকাসহ ১ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
(১৪ জানুয়ারি) সকাল দশটার দিকে কমলনগর, চরবসু বাজারের নিকটে
অহিদুল হকের বাড়িতে ব্যবসায়ী অহিদুল হকের ফসলি জমিন সহ বসত ঘরে একদল লোক এই ঘটনা ঘটায়। এটি ডাকাতি বলে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা। বাবুল, দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত ২০-২৫ জনের একদল লোক ভোরে ফের হামলা চালায়। আহতরা হলেন, অহিদুল হক, পারুল বেগম, বিউটি, সুইটি, পুলিশ ও ভূক্তভোগীরা জানায়, ঘটনার সময় ২০-২৫ জনের একদল ‘ডাকাত’ অহিদুল হকের বসত ঘরে ঢুকে পড়ে। ওই সময় সুইটি আক্তার গলা-কান থেকে স্বর্ণের চেইন-দুল ও আংটি ছিনিয়ে নেয়। এই সময় বাধা দিলে সুইটি, বিউটি কে কাঠ দিয়ে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন আহতদের কে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন, ইউপি সদস্য হারুন ও গ্রাম পুলিশ সহ হামলাকারীদের কে তারা করলে তারা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল, দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত ২০-২৫ জনের একদল লোক ফের এসে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ঘরে থাকা নগদ ১ লাখ টাকা, ১টি পাসপোর্টও নিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানায়, প্রতিবেশি মো: বাবুল সঙ্গে অহিদুল হকের মালিকানা জমিন ১৮ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ ঘটনায় লক্ষ্মীপুর আদালতে মামলা চলমান। এর জের ধরেই বাবুল, ভাড়াটিয়া লোকজন এনে অহিদুল হকের ঘরে হামলা করায়। পারুল বেগম বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় উভয়পক্ষের আদালতে মামলা চলমান। পরিকল্পিতভাবে বাবুল আমাদের ঘরে হামলা চালিয়েছে। এটি ডাকাতি। আমার ছেলের ১ টি পাসপোর্ট নিয়ে গেছে ডাকাতরা। বাবুল নির্দেশে ডাকাতি করতে এসেছে বলে দিদার, জানিয়েছে। এই ঘটনায় আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই। অভিযোগ অস্বীকার করে বাবুল বলেন, আমার বাবার কেনা ৫০ শতাংশ জমি অহিদুল ও তার ছেলেরা দখল করেছে। এনিয়ে আদালতে মামলা চলছে। হামলার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তহিদুল ইসলাম বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলা ঘটনা ঘটেছে। এটি ডাকাতি নয়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে আদালতে ১ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে বাকি আসামিদেরকে ধরার জন্য পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে