নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের মিজানুর রহমান বিশ্বাসের মেয়ে নবম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্রী মীম খানম (১৪) কে অদ্য ২৯ এপ্রিল সোমবার তার নিজ বাড়িতে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার প্রাক্কালে ঘটনার বিবরণী সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ভূমি) আফরিন জাহান জানতে পেরে ঘটনা স্থানে গিয়ে বাল্যবিবাহ সহযোগীদের কে অফিসে এনে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে জরিমানা করেন।
কিন্তু কনে পক্ষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বিবাহ মজলিস থেকে বর ও কনে কে সরিয়ে ফেলে।
বাল্য বিবাহের সাথে সম্পৃক্ত ৪ জন কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অফিসে নিয়ে আসে এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৪ জন কে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
কনের বাবা মিজানুর রহমান বিশ্বাস কে ৫০০০ টাকা, আলফাডাঙ্গা গ্রামের বরযাত্রী মিজান কে ৫০০০ টাকা, বরের বন্ধু মঙ্গল হাটা গ্রামের শামীম কে ৫০০০ টাকা, বরযাত্রী মনজুর রহমান কে ৫০০০ টাকা। মোট ৪ জন কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২৫০০০ টাকা জরিমানা করেন।
জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলার মঙ্গল হাটা গ্ৰাম থেকে একজন সিভিল সেনা সদস্য বাল্য বিবাহটি করতে আসে,দুর্ভাগ্য বসত বিবাহ করে বৌ নিয়ে বাড়িতে যাওয়া হলোনা। বরং জরিমানা খেয়ে ও কনের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ দিবেন না প্রতিশ্রুতি অঙ্গীকারপত্র (মোসলেকা) দিয়ে খালাস পায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট( ভূমি) আফরিন জাহান বলেন, সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক বাল্যবিবাহ বন্ধের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।