বুধবার , ১৩ মে ২০২৬ , ভোর ০৪:৪০
ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশ বৈষম্যবিরোধী শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের প্রাণের দাবী অবিলম্বে এনরোলমেন্ট পরীক্ষার সংস্কারসহ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে আধুনিকীকরণ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

রিপোর্টার : চিফ রিপোর্টার : মো উজ্জ্বল খান
প্রকাশ : সোমবার , ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ , সকাল ১০:১৯
২২ সেপ্টেম্বর ( রবিবার)  ১২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য ;- আমরা সমন্ন বাংলাদেশের বার। কাউন্সিলের নিবন্ধিত শিক্ষানবিশ আইনজীবীবৃন্দ। আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী তালিকা ভূক্তির ক্ষেত্রে ২০১২ সাল থেকে মেধা যাচাইয়ের নিমিত্তে পূর্বের ২ স্তরের পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল করে ৩ স্তরের পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয় (যা MCQ, Written ও Viva)। যদিও বিশ্বের কোন দেশে আইনজীবী তালিকা ভূক্তির ক্ষেত্রে এরূপ ৩ স্তরের পরীক্ষা পদ্ধতির নজীর নেই। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও শুধুমাত্র ১০০ নম্বরের (MCQ Type Open book exam) পরীক্ষায় ৪০ নম্বরে পাপ ও Viva's মাধ্যামে আইনজীবী তালিকাভূত করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী অর্জনের পর বেতন বিষ্টান স্বাধীন পেশায় কার্ম প্রবেশের ক্ষেত্রে বার বার নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। যা সাংবিধানিক ভাবে মানবতার পরিপন্থী। আমরা বিশেষভাবে লক্ষ্য করছি এই ৩ স্তরের পরীক্ষা পদ্ধতি (MCK), Written Viva) প্রবর্তনের পর ২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পূর্বের ন্যায় মৎসরে যেখানে ২টি তালিকাভুক্তির পরীক্ষা দেওয়া হতো। তা পরবর্তীতে পরীদ। এদণ অনিয়মিত হয়ে যায়। আমরা এও লক্ষ্য করছি যে, ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গ্রায় ৪ বৎসর তালিকাভূক্তির পরীক্ষা বন্ধ থাকে। যার ফলে আইনের ডিগ্রীধারীদের মধ্যে চরম হতাশার সৃষ্টি হয়। যা অদ্যাবধি চলনান। আমরা আপনাদের সদয় বিবেচনা ও অবগতির জন্য আরও জানাচ্ছি যে, বর্তমানে চলমান এই ৩ স্তরের পরীক্ষার মদ্যে লিখিত পরীক্ষাকে

ঘিরে ইতিমধ্যে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের মধ্যে অধিকাংশ মেধাবী শিক্ষার্থী মনে করেন তারা লিখিভ পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফলাফল পাচ্ছেন না। এখানে আনীত অভিযোগের মধ্যে খাতা মূল্যায়নের অনিয়ম, পরীক্ষকের উদাসীনতা, দায়িত্বহীনতা আছে বলে মনে করি। এরই ফলশ্রুতিতে প্রায় সময়ই দেখা যায় লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরবর্তী সময়ে অনেকে পরীক্ষককে দায়ী করছেন, রিভিউর আবেদন করছেন, কেউ আদালতে রীট করছেন, অনেকেই বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচী দিচ্ছেন, যা আমাদের কাম্য নয়। আমরা মনে করি, এই চলমান সঙ্কট থেকে স্থায়ী উত্তরণের লক্ষ্যে এই কালক্ষেপনকারী বিতর্কিত সিখিত পরীক্ষাটি চিরতরে বাতিল করা হোক। যেহেতু MCQ পরীক্ষাটি অত্যন্ত যুগোপযোগী, স্বচ্ছ, পরীক্ষার খাতা মেশিন রিডেবল এবং অতি অল্প সময়ের মধ্যে অধিক সংখ্যক পরীক্ষার্থীর ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব। সেই পথে মেধা মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। কারণ, এই MCQ পরীখার জন্য একজন পরীক্ষার্থীকে মরাটস এর প্রতিটি গাতা অধ্যয়ন করতে হয় এবং ১ ঘণ্টা সময়ের যধ্যে ০০ সঠিও উরুর দিকে বেলে পরীক্ষার হলে ফোন প্রকার অসৎ উপায় অবলম্বনের সুযোগ থাকে না। সেই সাথে পূর্বের ন্যায় প্রতি বৎসর ২টি তালিকা ভূক্তির পরীক্ষা গ্রহণ সহজতর হবে বলে

আমরা মনে করি। তাই আমরা যৌক্তিকভাবে সনাতন পদ্ধতির কালক্ষেপনকারী বিতর্কিত লিখিত পরীক্ষা চিরতরে বাতিল করে আধুনিক ও সময়োপযোগী MCQ ও Viva পরীক্ষার মাধ্যমে আইনজীবী তালিকাভুক্তি করণ যৌক্তিক বলে মনে করছি। আমরা শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা আরও যেসব বিষয় সংস্কারকে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে যৌক্তিক বলে মনে করি তাহলো- বাংলাদেশ বার কাউন্সিল যেহেতু একটি সংবিধিবদ্ধ সায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এই প্রতিষ্ঠানটি তার সৃষ্টি লয়া থেকে স্বাধীনভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মেধার মূল্যায়ন নিজ দায়িত্বে করে আসছে যা সবসময় বিতর্কের উর্ধ্বে ছিল। অতি সম্প্রতি ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বরের পূর্বে সমগ্রা বাংলাদেশের শিক্ষানবিশরা করোনা মহামারীতে পরীক্ষা গ্রহণ অসম্ভব হওয়ায় MCQ উত্তীর্ণদের Viva'র মাধ্যমে তালিকা ভূক্তির দাবিতে প্রতিবাদ করলে তা অগ্রাহ্য করে ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ তৎকালীন কর্তৃপক্ষ পূর্ববর্তী দ্বারা পরিবর্তন করে জুডিশিয়ারিকে বার কাউন্সিলের অন্তর্ভূক্ত করে লিখিত পরীক্ষায় নতুন ধারার প্রশ্ন পদ্ধতি প্রণয়ন করেন। যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। তাই আমাদের সকলের দাবী অবিলম্বে গরীক্ষার সার্বিক নিয়ন্ত্রণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায়িত্ব বার কাউন্সিলের হাতে নাস্ত করা হোক। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরো। এবং সমগ্র বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী শিক্ষানবিশ আইনজীবিদের প্রাণের দাবী- ১। কালক্ষেপনকারী বিতর্কিত লিখিত পরীক্ষা চিরতরে বাতিল করতে হয়ে। ২।১০০ ও গা। ২০০৪ মধ্য যাচাই করতে হবে।

৩। MCQ পরীক্ষায় এ সবায় উত্তীর্ণ হলে পরবর্তীতে পুনরায় MCQ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে না।

** (যা Retrospective effect দিয়ে পূর্ব থেকে কার্যকর হবে।) ৪। MCQ পরীক্ষায় পাস মার্ক ৪০ নির্ধারণ নাতে হবে এবং কোন প্রকার নেগেটিভ মার্ক থাকবে না।

৫। প্রতি বৎসর ২টি তালিকাভুক্তির পরীক্ষা নিতে হবে (জানুয়ারি ও জুলাই)।

৬ । জুডিশিয়ারিকে পরীক্ষার সম্পৃক্ততা থেকে অবিলম্বে অব্যাহতি দিতে হবে।

৭। অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে তালিকাভুক্তির পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করতে হবে।
 




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত। কোড নং :- ৩৪৬১