নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ইছামতির বিলে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত ১১ জন ব্যক্তিকে আটক করেছে ।
১৮ অক্টোবর(শুক্রবার) লোহাগড়া থানার নলদী ইউনিয়নের চর বালিদিয়া গ্রামে সকাল ১০টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, চর বালিদিয়া গ্রামের লিটন মোল্লা ও রাজু মুন্সির মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সামাজিক দলাদলি চলে আসছিল। সর্বশেষ ১০ অক্টোবর থেকে লিটন মোল্লা পক্ষের লোকজন শাহাবুর মোল্যা ইছামতির বিলে ভেসাল জাল ফেলে মাছ ধরে আসছেন।
বৃহস্পতিবার রাজু মুন্সী পক্ষের আলমগীর মুন্সী মাছ ধরার জন্য শাহাবুর মোল্যার জালের সামনে নতুন কারেন্ট জাল দিয়ে বাঁধ দেয়। এ ঘটনায় শাহাবুর মোল্যা বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।
পরবর্তীতে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ১৮ অক্টোবর সকালে দুই গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চর বালিদিয়া বাজারের রেজাউলের চায়ের দোকানের সামনে এ সংঘর্ষ ঘটায়। খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ ও নলদী পুলিশ ক্যাম্প দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লিটন মোল্যার গ্রুপের চর বালিদিয়া গ্রামের বশির মোল্যা (৬৫), ছবেদ আলী (৬২)মোঃ শফিকুল (৪০) ও মো. রউফ মোল্লা (৫৮)। এছাড়াও লাহুড়িয়া গ্রামের মো. সুমন মিয়া।
এছাড়া রাজু মুন্সী গ্রুপের চর বালিদিয়া গ্রামের আলাউদ্দিন (৩৮), জাফর শেখ(৬৫),মো. আশিক মোল্যা (২৫), মো. ইউনুস মোল্যা (৬০),লাহুড়িয়া গ্রামের দিননাথপাড়ার মো. সজল মোল্যা (৩০) ও মাগুরা জেলার মহম্মদপুর থানার সালদা গ্রামের মো. জিল্লুর রহমান (৪১) সহ সর্বমোট ১১ জনকে আটক করেছে।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে জড়িতদের আটক করা হয়েছে। অন্যসব আসামিদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।এদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।