কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ৯ টি ইউনিয়ন প্রায় প্রত্যেকটি গ্রামে অনলাইন জুয়া খেলা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্কুল-কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও ঝুঁকে পড়ছে এই অনলাইন জুয়ায়। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে চলে এসব জুয়ার আসর। মোবাইল ফোনে অনলাইন জুয়ার অ্যাপস ডাউনলোড করে সেই অ্যাপসের লিংক অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে চালানো হয় জুয়া।
বিদেশ থেকে পরিচালিত এসব সাইটগুলো বাংলাদেশের এজেন্টরা পরিচালনা করছে । অনলাইন জুয়ার আসর গুলো হাট-বাজারে, মাঠে-ঘাটে এমনকি পাড়ার চায়ের দোকানে একপ্রকার প্রকাশ্যেই বসে ।
এলাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক জানান, আমার ছেলে প্রথমে পাবজি ও ফ্রী ফায়ার গেম খেলতো। এখন বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে প্রতিদিনই জুয়া খেলে। কিছু বলতে গেলে হুমকি দেয় আত্মহত্যার ।
ভ্যানচালক মোঃ রবিউল ইসলাম অনলাইন জুয়ার ফাঁদে পড়ে তার ভ্যান বিক্রি করেছে এবং তার জমি ছিল সেই জমিও বিক্রি করেছে বর্তমানে সে পালাতক।
এই অনলাইন জুয়ার থাবা ছড়িয়ে পড়েছে সমাজের সর্বত্র তাই সমাজের সকলকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং পরিবারের সদস্যদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে সন্তানরা কোথায় কখন কিভাবে কি করছে মোবাইলে কতটুকু সময় দিচ্ছে এবং সামাজিক ভাবে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমেই হয়তো বা রোধ করা যেতে পারে এই জুয়ার ভয়াবহ থাবা।
এই মোবাইল জুয়া কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।