২৬শে মে রবিবার রাতে ঝড়ের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বসতবাড়ি ঘর. গাছপালা ও আবাদী ফসলের। শার্শা. ঝিকরগাছা উপজেলার আংশিক এলাকা ঘুরে দেখা যায়. ঘুর্নিঝড় রিমেলের আঘাতে অনেক জায়গাই ঘরের ছাউনি উড়ে ও গাছপালা উপড়ে গেছে। ঝড়ের প্রভাবে অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
২৮ শে মে মঙ্গলবার সকাল থেকে নিম্নচাপ কেটে যায় এবং সারাদিন কড়া রোদ হয়।
কিন্তু শার্শা ও ঝিকরগাছার কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি।
যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ শার্শা জোনাল অফিসের আওতাধীন নাভারনের পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ বুরুজ বাগান ও ঝিকরগাছা উপজেলার নির্বাশখোলা ইউনিয়নের মির্জাপুর. খরুশা. নওয়াপাড়া সহ এখনো অনেক এলাকার গ্রাহক বিদ্যুৎ সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন এলাকায় অবস্থিত টাওয়ারে সময় মত বিদ্যুৎ চার্জ না পাওয়ায় এ সমস্ত মোবাইল নেটওয়ার্কও দূর্বল হয়ে পড়েছে।
মির্জাপুরের এক গ্রাহক তন্নি খাতুন. খরুশা বাজারের দোকানদার ডালিম সহ অনেকে বলেন. বিদ্যুৎতের অভাবে বাসাবাড়ি ও দোকানে ফ্রিজে রাখা পচনশীল পন্য পচে যাচ্ছে. ফ্রিজে জমে থাকা বরফ গলে পানি বেরচ্ছে. ঘরের মেজে নষ্ট হচ্ছে। তারা অনেকে অফিসে ফোন করলেও ফোন ধরছে না। তাদের সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে।
এছাড়া বাগআচড়া সাব অভিযোগ কেন্দ্রের আওতাধীন সামটা দেওলী গ্রামে এখনো বিদ্যুতের দেখা পায়নি বলে জানা গেছে।
এ সকল ভূক্তভোগী গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন.এ সমস্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন অসৎ অফিসারদের জন্য. আমাদের মত সাধারণ গ্রাহক এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বঞ্চিত এবং বিদ্যুতের অভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহৃত যন্ত্র দ্বারা পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।
বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ভূক্তভোগী গ্রাহক দ্রুত সময়ে বিদ্যুৎ সেবা পায় সেজন্য যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ শার্শা জোনাল অফিস সহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতম কর্মকর্তাদের সু দৃষ্টি প্রয়োজন।