এদেশে একদিন বৈষম্যহীন, শোষনহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম হবেই। প্রয়াত কমরেড আবুল কাসেম গরিব ও মেহনতি মানুষের মুক্তির দূত ছিলেন। তিনি আমৃত্যু শ্রমজীবী মানুষের রাজনীতি করে গেছেন।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দেবীদ্বার উপজেলার লক্ষিপুর গ্রামে প্রয়াত কমরেড আবুল কাসেমের শোক সভায় আংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি(সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য কমরেড পরেশ কর ওই বক্তব্য তুলে ধরেন।
তিনি আরো বলেন, কমরেড আবুল কাসেম ৯০’র দশকে কুমিল্লার গোমতী নদীর পাড়ে আশ্রিতদের উচ্ছেদ অভিযানে বাঁধা দিয়ে প্রশাসনকে বলেছিলেন, আমরা গোতী নদীর ভেরীবাঁধে আশ্রিত জীবন চাইনা, আমরা ভ‚মিহীনদের আবাসন চাই, সরকার উচ্ছেদের আগে ভ‚মিহীনদের আবাসনের ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করা যাবেনা। তিনি উপজেলা প্রশাসনের দপ্তরের সামনে ডেগ, থালা, বাসন নিয়ে আমৃত্যু অবস্থান নিয়েছিলেন। যে আহবান জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছিল। আজও সেই মানুষগুলো উচ্ছেদ হয়নি।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) দেবীদ্বার উপজেলা সভাপতি কমরেড আব্দুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড পরিমল শীলের সঞ্চালনায় বিশেষ আলোচক হিসেবে ছিলেন, সিপিবি কেন্দ্রীয় কন্ট্রল কমিশনের সদস্য ও কুমিল্লা জেলা সভাপতি বীর মুক্তি যোদ্ধা কমরেড সুজাত আলী, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট কমরেড অশোক জয় দেব।
অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন সিপিবি জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, জেলা কমিটির সদস্য কমরেড সূধাংশু কুমার নন্দী, নিজেরা করি সংস্থা কুমিল্লা অঞ্চল সংগঠক আব্দুল জব্বার, রসুলপুরের সংগঠক উজ্জল আহমেদ, ভ‚মিহীন নেতা লিল মিয়া, ক্ষেত মজুর নেতা তজু মিয়া, কৃষক সমিতির নেতা হাবিবুর রহমান, প্রয়াত কমরেড আবুল কাসেমের স্ত্রী ফাতেমা বেগম প্রমূখ।