আগে থেকে অনুমান ছিল ম্যাচ হবে লো স্কোরিং। সেই অনুমানটা ঠিক হলো। শ্বাসরুদ্ধকর সেই ম্যাচে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে মাত্র ৪ রানে হেরেছে বাংলাদেশ।
সোমবার (১০ জুন) নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান নেয় প্রোটিয়ারা। ব্যাট করতে নেমে পেসার তানজিম হাসান সাকিবের বোলিং তোপে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে হেনরিখ ক্লাসেন ও ডেভিড মিলারের ব্যাটে কিছুটা বিপর্যয় সামাল দেয় প্রোটয়ারা।
এই দু'ব্যাটারের ব্যাটে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ছয় উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা আর একশত তের রান সংগ্রহ করে । ক্লাসেন ৪৪ বলে ৪৬ রান ও মিলার ৩৮ বলে ২৯ রান করেন। তানজিম সাকিব ৩টি ও তাসকিন নেন ২টি উইকেট বাংলাদেশের পক্ষে নেন।
১১৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ তামিমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৯ বলে ৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান এই টাইগার ওপেনার।
তানজিদ তামিমের বিদায়ের পরে ক্রিজে আসা লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে শান্ত সাবধানে ব্যাট করতে থাকেন । তবে দলীয় ঊনত্রিশ রানে তের বলে নয় রান করে আউট হন লিটন।
এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান ৪ বলে ৩ ও শান্ত ২৩ বলে ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।
তাদের বিদায়ের পর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে হাল ধরেন তাওহিদ হৃদয়। দেখেশুনে খেলতে থাকেন এই দুই ব্যাটার। ৪৪ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান তারা। তবে দলীয় ৯৪ রানে ৩৪ বলে ৩৭ রান করে আউট হন হৃদয়।
হৃদয়ের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা জাকের আলিকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন মাহমুদউল্লাহ। তবে দলীয় ১০৭ রানে ৯ বলে ৮ রান করে আউট হন জাকের।
এরপর লড়াই চালিয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। শেষ ২ বলে জয়ে প্রয়োজন হয় ৬ রান। লং অনে ব্যাট চালান মাহমুদউল্লাহ। তবে অল্পের জন্য বাউন্ডারি লাইনে মার্করামের হাতে পড়েন তিনি। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ জয়ের স্বপ্নও শেষ হয়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে কেশভ মহারাজ নেন ৩টি উইকেট।