বাংলাদেশের উন্নয়ন, মাইক্রো ইকোনমি (ক্ষুদ্র অর্থনীতি) নিয়ে পৃথিবীর বিখ্যাত বিশ্ববিদালয়ের অর্থনীতিবিদরা যখন গবেষণা করেন তখন ভাবতে আনন্দ লাগে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে নৌাপরিবহন প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমগ্র পৃথিবীতে শেখ হাসিনা একজন রোল মডেল।
খুব ভালো লাগে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিখ্যাত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ বাংলাদেশের মাইক্রো ইকোনমি নিয়ে যখন গবেষণা করেন যে- বাংলাদেশের এই উন্নয়ন কীভাবে সম্ভব হচ্ছে; ভাবতেই আনন্দ লাগে। অথচ এই বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসাবে আখ্যায়িত করার চেষ্টা হয়েছিল।
সেই বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে। এটাই হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশকে টেনে ধরার জন্য একটি অপরাজনীতি করা হয়, যা আমরা নিকট অতীতে দেখেছি। বাংলাদেশের নির্বাচন, বাংলাদেশের সংসদ, বাংলাদেশের আইন, নির্বাহী বিভাগ, সংবিধান মানছে না। বাংলাদেশকে একটি অন্ধকারে তলিয়ে দেওয়ার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছিল। আজকে কিন্তু তারা অন্ধকারে তলিয়ে গেছে। নির্বাচন নিয়ে কত অপকর্ম, কত ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। অথচ আমরা দেখলাম ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণের কী অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে তারা অনেকে বলেছিল স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দিয়ে দেশের অগ্রযাত্রাকে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই দেশে নির্বাচন হবে না। গণতান্ত্রিক ধারা সামনের দিকে এগিয়ে যাবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের জনগন । ৭ই জানুয়ারির নির্বাচনে সেটি প্রতিফলিত হয়ে উন্নয়নকে তারা সমর্থন করেছে । বাংলাদেশের সমগ্র জনগন নৌকা মার্কা এবং প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রেখে যারা নৌকার বাইরে নির্বাচিত হয়েছেন তারাও কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান দিয়ে এখানে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন।
তিনি বলেন, বিএনপি, খালেদা জিয়া গণতন্ত্রকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল এবং লন্ডনে বসে ষড়যন্ত্র করে ‘কুলাঙ্গার’ তারেক রহমান। কিন্তু দেশের পথকে তারা বিচ্যুত করতে পারেনি।
এ দেশের ১৬ কোটি জনগণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছে, ঐক্যবদ্ধ থাকবে।