বুধবার , ১৩ মে ২০২৬ , সকাল ০৯:০০
ব্রেকিং নিউজ

নড়াইলের মাউলী ইউনিয়নে উদ্বেকজনক হারে বেড়ে চলেছে জমি দখল ও চাঁদাবাজি

রিপোর্টার : নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ : শুক্রবার , ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪ , দুপুর ০১:১৫

নড়াইলের মাউলী ইউনিয়নে উদ্বেকজনক হারে বেড়ে চলেছে জমি দখল ও চাঁদাবাজি এ বিষয়ে সামপ্রতিক মোকামঃ বিজ্ঞ আমলী আদালতে ধারা :- ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৪(১)ক এবং ৪(২)/৭(৩)১০ও ৩৮৫/৩৮৬/১১৪ দঃবিঃ মামলা দায়েল করা হয়েছে।

মামলা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আসামীগন লাঠিয়াল,ভূমিদস্যু,সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ প্রকৃতির লোক। এরা মূলধারার চাঁদাবাজী ও পরের জমি অবৈধ ভাবে ভোগদখল করাই তাদের পেশা ও নেশা ।

বাদীর পুত্রের ক্রয়সূত্রে মাইগ্রাম মৌজার আর.এস দাগ নাম্বর-৯৬৯, আর.এস খতিয়ান ১৪৩ এবং জমির পরিমান ৬০ শতক, জমির শ্রেণী: ডাঙ্গা ও ধানী । গত ইং ১২/০৯/২০২৪ ইং তারিখে মূল মালিকের সাথে ২৫,০০,০০০/- (পঁচিশ লক্ষ) টাকা দিয়ে ক্রয়  করে।  উক্ত জমিতে  রোপন করা ধান বাদী পক্ষ স্বত্ব ভোগদখল করা কালীন সকল আসামীগণ ১। আবু হানিফ ফকির  (৪৮) পিং- হাই মিয়া ফকির ২। জাহিদুল ফকির (৫০) পিং- সত্তার ফকির ৩। আবুল কাসেম রহিদ ফকির (৪০) পিং- লুৎফর ফকির ৪। মকিদ ফকির (৫৫) পিং তবিবার ফকির ৫। ইলা ফকির (৬০) পিং-হাবিজার ফকির ৬। আলি ফকির (৫৫) পিং-সুফিয়ান ফকির খান ৭। মিকাইল খাঁ (৪৫) পিং- মজিবার  খাঁ সর্ব সাং- কলাগাছি এবং অজ্ঞাত নামা ৭/৮ জন আসামী ১৭/১১/২০২৪ ইং তারিখ রাত অনুমান ২.০০ টায় উক্ত জমিতে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে পাকা ধান কাটার সময় আসামীদের বাঁধা দিলে আসামীরা বাদীকে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে মারতে এলে বাদী প্রাণ বাঁচাতে দৌঁড়িয়ে পালায় । আসামীদের কাছে মারাত্মক ধারালো অস্ত্র থাকায় বাদী ও স্বাক্ষীগণ আসামীদেরকে কিছু বলতে পারেনি। স্বাক্ষীগন হলেন, ১/বকুল মোল্যা(৪৫) পিং- মৃত জাফর মোল্যা,২/লায়েক মোল্যা(৬০) পিং মৃত রিজাক মোল্যা,৩/টুটুল মোল্যা (৪৫)পিং আত্তাব মোল্যা ৪/মোতালেব মোল্যা (৪৭) আপছার মোল্যা ৫/ হান্নান মোল্যা (৪৮) পিং মৃত আপছার মোল্যা সর্ব সাং -কাঠাদুরা ৬/উত্তম কুমার দাস (৫৬) পিং মৃত মনরঞ্জন দাস সাং চোরখালী। ৭ নং আসামী চেচাইয়া হুমকি দেয় এই জমি আমার। যে এই জমিতে পাঁ রাখিবে তাকে মারিয়া, কাটিয়া, খুন করে ফেলবো। ১, ২ ও ৩ নং আসামী এই জমিতে এলে বাদীকে  মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। আরো বলে জমিতে প্রবেশ করতে হলে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা চাঁদা দিলে এই জমি ছেড়ে দিবো। হুমকি প্রদান করে সব পাকা ধান কেটে নিয়ে যায় । বাদী ও স্বাক্ষীগণ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের নিকট আসামীদের বিরুদ্ধে অবগত করলে, আসামীগণ উক্ত কোন বিষয়ে কর্ণপাত করেন নাই, এমনকি অবৈধ দখলস্বত্ব করে রেখেছে। বাদী আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করলে থানা কর্তৃপক্ষ অজানা কারণে মামলা গ্রহণ করে নাই। সকল আসামীগণ অন্যের মালিকানাধীন ভূমি (জমি) নিজের মালিকানাধীন ভূমি হিসাবে প্রচার করে ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ এবং অবৈধ দখল করে এবং এই জমি থেকে ফসল কেটে নিলে ২০২৩ সালের ভূমি অপরাধ প্রতিকার ও প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ করেছে এবং সেই সাথে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা চাঁদা চেয়েছে। অভিযোগ সূত্রে তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, কলাগাছির এক ভেনচাকল বাবুল মোল্যা, কৃষক রবিউল ইসলাম, কৃষক হান্নান শেখ, বলেন, এই জমি মো :- মন্নান মোল্লার ছেলে মিলন মোল্যা ক্রয় করেছে কিন্তু এই জমি দখল নিতে হলে তাদের কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে ভোগদখলকারীরা এমটা শুনেছি। এ বিষয়ে কোটে একটি মামলা হয়েছে এটাও শুনেছি।  এ বিষয়ে  ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার লায়েক আলী শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি কাঠাদূরা গ্রামের মন্নান মোল্লার ছেলে মিলন মোল্লা কলাগাছি জমি ক্রয় করেছে এবং সেই জমি জোরপূর্বক ভোগদখলকারীরা ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছে তিনি লোক মুখে শুনেছেন কিন্তু তিনি সালিশে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানান। 

এ বিষয়ে ৪ নং মাউলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে এ বিষয়ে দুই পক্ষের কেউ  কিছু বলেনি,  কাঠাদূরা গ্রামের মন্নান মোল্লার ছেলে মিলন মোল্লার জমি আবু হানিফ ফোকিরা জোরপূর্বক দখলে রয়েছে তা নিয়ে সালিশ ও হয়েছে এবং  সেখানে ৫ লক্ষ টাকার দাবি করে। তা নিয়েও কোটে চাঁদাবাজীর মামলা হয়েছে এতটুকু লোক মুখে শুনেছি ।

 




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত। কোড নং :- ৩৪৬১