নড়াইলের লোহাগড়ায় ডাকাত দলের সদস্যদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার, তাঁদের হাত থেকে এলাকবাসীকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৮ মার্চ (মঙ্গলবার) বেলা ১১ টায় লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রামে এ মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ডাকাতির কবলে পড়া পরিবারগুলোর সদস্য জোৎস্না বেগম, মো. সাগর শেখ, শেফালি বেগম,পারভেজ সহ অনেকে ।
তাদের অভিযোগ, গত ২ মাসে নোয়াগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী বয়রা ও ঘাঘা এলাকায় কয়েকটি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় নোয়াগ্রাম এলাকার একাধিক মামলার আমামি আসমা বেগম, আব্দুর নূর তুষার ও তাদের সহযোগী বিপ্লব, শিপন, ভাষান, খায়রুল,সাদ্দাম, আকাশ, হান্নান, জড়িত রয়েছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা লোহাগড়া থানায় মামলা ও অভিযোগ করেন৷ এসব মামলায় ২ বার আসমা বেগম গ্রেপ্তার হয়ে ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর কয়েকদিনের মধ্যে আসমা জামিনে বের হয়ে আসেন। তাছাড়া তার অন্য সহযোগিদের কেউ এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। আর ডাকাতদের বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ করে আমরাই এখন উল্টো বিপদে পড়েছি। ডাকাতরা প্রতিনিয়ত আমাদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। মামলা ও অভিযোগকারিদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে একটি মিথ্যা নির্যাতনের মামলা করেছেন ওই আসমা বেগম। আমরা এই মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ জানাই। প্রশাসনের কাছে এর প্রতিকার চাই।
জোৎস্না বেগম বলেন, গত ৩০ জানুয়ারি আমার বাড়িতে হওয়া ডাকাতির ঘটনায় আমরা মামলা করে ছিলাম। ওই মামলায় আসমা গ্রেপ্তার হয়েছিল। অন্যান্য ডাকাতির ঘটনায় ও সে গ্রেপ্তার হয়। কিন্তু কয়দিন পরই জামিন পেয়ে যায়। জামিনে এসে আসমা আমাদেরকে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। নির্যাতনের একটা মামলা, নানাভাবে হয়রানি এবং আমাদের ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্র করতেছে।
শেফালী বেগম বলেন,ডাকাত দলের সদস্যরা নানাভাবে আমাদের হুমকি ধামকি দিচ্ছে। তাদের ভয়ে আমরা বাড়ি থাকতে পারতিছে না। পালিয়ে বেড়াচ্ছি।
লোহাগাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান dmc news 24.com কে বলেন, আসমার নামে ২০২২ সালের একটি হত্যা মামলা রয়েছে। এলাকায় চুরি ও দস্যুতার মামলায় জড়িত থাকায় আসমাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছিলাম। তুষারের নামেও একাধিক মামলা রয়েছে। তুষারসহ এদের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। জনগণের যত মালামাল খোয়া গেছে, সেগুলো উদ্ধারেও আমরা কাজ করছি।