বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালি ইউনিয়নের সুখদাড়া গ্রামের মৃত্যু নরেন্দ্র নাথ তরফদারের ছেলে অবঃপ্রাপ্ত শিক্ষক অনন্ত তরফদার চাকরি থাকাকালীন সময়ে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বলে টাকা ধার নেয় ।
পরবর্তীতে টাকা পরিশোধ করতে তাল্ভানা শুরু করলে ভূক্তভোগীরা বটিয়াঘাটা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দাখিল করেও কোন প্রতিকার পায় না । উল্লেখ্য অনন্ত তরফদার দীর্ঘদিন ধরে বটিয়াঘাটা সদরে থেকে টিউশনি করতেন । সেই সুবাদে সকলেই তাকে চেনে । তারই ধারাবাহিকতায় অনেকের কাছ থেকে ব্যাংকের চেক দিয়ে ও স্ট্যাম্পে মৌখিক এবং সরাসরি সাক্ষীদের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করেন । চাকরি থেকে অবসর নেয়ার পর বটিয়াঘাটা হোগলবুনিয়া গ্রামের পলাশ বালার কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা লেনদেন করেন । কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে তার ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল নাম্বারে কল দিয়ে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না এবং সে কখনো রিসিভ না করে বন্ধ রাখে । নিকটতম লোকজন ছাড়া অন্য কারো ফোন সে রিসিভ করেনা এমত অবস্থায় ভুক্তভোগী পলাশ বালা বলেন, আমি তাকে টাকা ধার দিয়ে উপকার করেছি, বর্তমানে সে আমার টাকা নিয়ে বিভিন্ন প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছে । ইতিমধ্যে সে তার ছেলে উল্টে আমার বিরুদ্ধে তার বাবা মিসিং হারিয়ে গিয়েছে বলে থানায় মিথ্যা কমপ্লেন করেছে । পরবর্তীতে বটিয়াঘাটা থানা পুলিশ আমাকে থানায় ডেকে নেয় এবং এসআই শফিকুলের মাধ্যস্তায় আমরা বসাবসি করে সমঝোতা করি এবং তারা তাদের অভিযোগ তুলে নেয় । পলাশ বালা আরো বলেন, আমার গঠিত টাকা একজন শিক্ষকের উপকার হবে ভেবে আমি তাকে সহযোগিতা করি বর্তমান আমার টাকার জরুরী প্রয়োজন । তাই আমি তার সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাচ্ছি না । এমতাবস্থায় আমি সে যেখানেই থাকুক দ্রুত আমার টাকা দিয়ে তার ব্যাংকের চেক ফিরিয়ে নিয়ে জাক । এছাড়াও ব্যাংকে খবর নিয়ে জানা যায়, ব্যাংকে তার কোন টাকা নাই । পলাশ বালা আরো বলেন আমি নগত টাকা দিয়ে প্রতারনার শিকার হচ্ছি । আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সকলের কাছে আবেদন যত দ্রুত সম্ভব আমাকে সহযোগিতা করে আমার টাকা আদায়ের সহযোগিতা করবেন ।