সাহেলা সার্মিন
যাকে ভালোবাসলাম যুগ যুগ ধরে
আজো তাকে প্রাণখুলে বলতে পারলাম না
কতোটা ভালোবাসি তাকে!
বুকের ভিতরে কতোটা যত্নে
এক টুকরো বরফ করে রেখেছি তাকে!
গ্রীষ্মের খর রৌদ্র প্রখর তপ্ততায়
হিংসা বিদ্বেষ আর নিষেধের যবনিকায়
কতো কষ্টে নিভৃতে এক আকাশ যত্নে
আগলে রেখেছি এক মহামূল্যবান রত্নে!
সে কী বুঝবে সেটা?
না কখনও বুঝতে চেয়েছে?
আমি তার কাছে এক টুকরো জড় পদার্থ
আমার বিদ্যা নেই বুদ্ধি নেই বিবেক নেই
অনুভূতিহীন error of feellings.
আমার বরফ শীতল ভালোবাসার তীক্ষ্ণতা
আজ আরো বেশি করে উপলব্ধি করলাম
অসুস্থ রুগ্ন করুন কান্না জড়িত অবয়বে!
আমার হৃদপিণ্ডটা কে যেনো টানছিলো দু'হাতে
আমার পা থেকে মাথা পর্যন্ত সমস্ত অস্তি মজ্জা
গলে গলে পড়ছিলো কান্নার নদীতে!
এক অথৈ প্লাবনে আমি ডুবে যাচ্ছিলাম,
আর একটু একটু করে আমি বুঝে গেলাম
সত্যি আমি খুব ভালোবাসি তাকে!
সে ছাড়া আমার জীবন অর্থহীন
আমি তাকে ছাড়া পারবো না বাঁচতে!
তার শ্বাস-প্রশ্বাসে আমার অক্সিজেন
ভালো লাগা মন্দ লাগা আমার বেঁচে থাকার
নিউরন একমাত্র জীয়ন কাঠি!
আজ আমি বুঝতে পারলাম,
শরতের আকাশ কেনো এতো সুন্দর!
জ্যোৎস্নায় কেনো এতো মোহ মুগ্ধতা!
বসন্তের পুস্পমঞ্জুরী কেনো এতো সুবাসিত!
সমুদ্রের ঢেউয়ে কেনো এতো শীতলতা!
রিমঝিম বৃষ্টিতে কেনো এতো উচ্ছ্বসিত আবেগ!
এতো এতো ভালোলাগা সব তার জন্য!!
গতানুগতিক জীবন ধারা
শুধু খাওয়া আর পড়া,
একটু নিরিবিলি প্রেম পিয়াসী মন
আজ চিৎকার করে বলবো এখন---
অনেক অনেক ভালোবাসি তোমাকে!!!