কবি :-
কামরুল ইসলাম
প্রতিদিনই কবিতার মতো কোনোকিছু জাগিয়ে রাখে আমাকে,
প্রত্যুষের মোরগ বাকের অপূর্ব সন্ত্রাসে প্রতিদিন কোনো না কোনো
কবরের নিজস্ব সংগীত ভেসে আসে কানে
আমার এ সরল সাঁতার জালে বিঁধে ধরা পড়ে কখন, সেই ভয়ে
কাঁঠাল তলার মাচালে শুয়ে চৈত্রদিনের গান শুনি
ঘুমের পাখায় চড়ে পাড়ি দিই কৃষ্ণ মেঘের কাপালিক নদী
আমার দুপাশে দুটো পাইথন জেগে থাকে স্বরাজের নেশায়।
সবিনয়ে সকল কষ্ট ভাসিয়ে দিলাম ঝেঁপে আসা বৃষ্টির জলে,
তখন এক পাহাড়ি মেয়ে অরণ্যের শোকের বয়ান সাথে
সামনে এসে দাঁড়ায় ,পাহাড়ের চুড়োয় উঠে সে-ও দেখি
উড়ে যায় অকূল শূন্যে--
আমাদের ছোটাছুটি গাছেদের শোক নিয়ে ঝরে পড়ে
হাড়ের অন্তর চুঁইয়ে অনন্ত গৃহ জাগে দেহে ও মনে--