নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার পেড়লী গ্রামে প্রেমিকের ভাইয়ের হাতে প্রেমিকার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
পেড়লী গ্রামের খানকা পাড়ায় রমিজুল ইসলাম শিকদার (৩৫), এর স্ত্রী খাদিজা বেগম (২৫), একই গ্রামের মোঃ বাশার শিকদার এর ছেলে জুবেল শিকদার (১৯) এর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রমিজুল ইসলাম বলেন, এরই কারণে ইং ২২/১১/২০২৪ রাত্র অনুমান ২টায় ১। জুবেল শিকদার (১৯), ২। মিঠু ফকির (২৫), ৩। মুসলিমা বেগম (৪৫), সকলে মিলে আমাদের বাড়ীতে এসে আমাকে বলে যে, খাদিজা বেগম (২৫) এর সাথে জুবেল এর বিয়ে হয়ে গেছে, তুমি তাকে রাখতে পারো না।খাদিজাকে আমাদের সাথে যেতে দাও। আমি তাদের হাতে আমার স্ত্রী খাদিজা বেগমকে তাদের হাতে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। আমি ও আমার পিতাসহ অন্যান্য লোকজোনকে ডাকার জন্য বের হলে ১। জুবেল শিকদার (১৯), ২। মিঠু ফকির (২৫), ৩। মুসলিমা বেগম (৪৫), ভিকটিম খাদিজা বেগমকে হাত ধরে জুবেলের বাড়িতে নিয়ে চলে যায়। পরে এটা নিয়ে গ্রামে সমালোচনা শুরু হয়। এক পর্যায় ইং ২৩/১২/২০২৪ সকাল অনুমান ০৯.৩০ মিনিটে জুবেল শিকদার (১৯) এর বড় ভাই জাহিদুল শিকদার ভিকটিম খাদিজা বেগম এর সঙ্গে কথা কাটা কাটি করে। জাহিদ বলে তুই একটা সংসার ভেঙ্গে আমার ভাইয়ের ঘরে আসছিস তুই যে আমার ভাইয়ের সংসার নষ্ট করবি না এর গ্যারান্টি কি? তখন জুবেলের ভাই জাহিদ শিকদার (২৫) তালের ডান্ডা দিয়ে ভিকটিম খাদিজার মাথায় আঘাত করলে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে পেড়লী বাজার সাগর ডাক্তার ও অরবিন্দু ডাক্তারের কাছে এনে প্রাথমিক চিকিৎসা করাই। তারপর খুলনা মেডেকেলে নিয়ে যায়। খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইং ২৫/১২/২০২৪ তারিখ বেলা অনুমান ১১:৪৫ ঘটিকায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খাদিজা বেগম মৃত্যুবরণ করেছে । রমিজুল ইসলামের নিকট মাললার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন,,আমি এখনো মামলা করিনি তবে মামলা করবো এবং এই খুনির ফাঁসির দাবি করছি।
এবিষয়ে পেড়লী পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ আজিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি তবে মামলার কাজ চলছে বলে এমনটা জানান।